Thursday, August 27, 2015

ডাব ইলিশ


উপকরণ : ইলিশ ৪ টুকরা, ডাব ১টা (পানি ও নরম মালাইসহ), পেঁয়াজবাটা ১ টেবিল চামচ, পোস্তদানাবাটা আধা চা-চামচ, হলুদ গুঁড়া আধা চা-চামচ, মরিচ গুঁড়া আধা চা-চামচ, রসুনবাটা সিকি চা-চামচ, কাঁচা মরিচ ৪-৫টা, অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল প্রয়োজনমতো, লবণ স্বাদমতো, তেল আধা কাপ।

প্রণালি : ডাবের পানি ও শাঁস বের করে নিয়ে খোলাটাকে ২ ফালি করে কেটে রাখুন। ডাবের নরম শাঁস কুচি করে নিন। পেঁয়াজ আর পোস্তদানা কিছুটা ডাবের পানি দিয়ে পাতলা করে বেটে নিন। ফয়েল বাদে বাকি সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। বাকি ডাবের পানিসহ এই মিশ্রণ দিয়ে মাছের টুকরাগুলো মেখে আধা ঘণ্টা রেখে দিন। মাখানো মাছ প্যানে ঢেলে ঢাকনা দিয়ে কম আঁচে ১২-১৫ মিনিট রান্না করে নিন। মাঝে একবার খুব সাবধানে মাছ উল্টে দিন। চুলা থেকে নামিয়ে প্রতিটি ডাবের খোলায় ঝোল-মসলাসহ ২ টুকরা মাছ নিয়ে অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল দিয়ে ঢেকে দিন। ১৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপে প্রি-হিট করা ওভেনে ৭-৮ মিনিট বেক করে নিন। নামিয়ে ফয়েল খুলে ডাবের খোলাতেই সরাসরি পরিবেশন করুন। that's collll........

ইলিশ বিরিয়ানি


উপকরণ : তেলওয়ালা বড় ইলিশ ৪ টুকরা (ডিম থাকলে বাদ দিয়ে দিন), বাসমতী চাল ৫০০ গ্রাম, পেঁয়াজবাটা এক কাপের তিন ভাগের এক ভাগ, পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ, আদাবাটা ১ চা-চামচ, রসুনবাটা সিকি চা-চামচ, মরিচ গুঁড়া এক চা-চামচের একটু কম, টকদই ১ টেবিল চামচ, নারকেলের ঘন দুধ ২ কাপ, কাঁচা মরিচ ১৪-১৫টা (আস্ত), চিনি আধা চা-চামচ, কিশমিশ ২ টেবিল চামচ, জাফরান রং ১ চিমটি, গরমমসলার গুঁড়া ১ চিমটি। লবঙ্গ, দারুচিনি, এলাচি প্রতিটা ৩টা করে, লবণ স্বাদমতো, তেল আধা কাপ, ঘি সিকি কাপ।

প্রণালি : প্যানে ঘি গরম করে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে বেরেস্তা করে তুলে রাখুন। তাতে কিশমিশগুলোও ভেজে তুলে নিন। সেই ঘিয়ের সঙ্গে অর্ধেকটা তেল মিশিয়ে বাটা পেঁয়াজ দিয়ে একটু ভেজে নিন। এবার মরিচ গুঁড়া, রসুনবাটা দিয়ে কষিয়ে নিয়ে লবণ মাখানো ইলিশের টুকরাগুলো দিন। হালকা কষিয়ে চিনি দিয়ে ফেটানো দই দিয়ে ভালো করে মেশান। অল্প গরম পানি দিয়ে ঢেকে মিনিট ১৫ রান্না করে নামিয়ে নিন। নামানোর আগে গরমমসলার গুঁড়া ছড়িয়ে দিন।
আরেকটি পাত্রে চাল অনুপাতে ফুটন্ত পানি, নারকেল দুধ আর লবণ একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। অন্য একটি প্যানে বাকি তেলটা দিয়ে তাতে রান্না করা ইলিশের তেলটাও (শুধু তেল, ঝোল বা মসলা না) মিশিয়ে নিন। এবার তাতে গরমমসলার ফোড়ন দিয়ে চাল দিয়ে দিন। আদাবাটা দিয়ে ৪-৫ মিনিট ভেজে নারকেল দুধ, পানি আর লবণের মিশ্রণ মিশিয়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন। পানি আর চাল সমান হয়ে এলে ৪-৫টি বাদে বাকি কাঁচা মরিচগুলো দিয়ে দিন। এবার চুলার আঁচ কমিয়ে প্যানের নিচে তাওয়া দিয়ে পোলাও দমে বসিয়ে নিন।

পোলাও নামিয়ে ২ টেবিল চামচ পোলাওয়ের সঙ্গে জাফরান রং মিশিয়ে রাখুন। একটা হাঁড়িতে অল্প করে ঘিয়ের প্রলেপ দিয়ে তাতে প্রথমে পোলাওয়ের স্তর, তারপর হালকা করে সামান্য জাফরান রঙের পোলাও, তার ওপর বেরেস্তা আর কিশমিশ ছড়িয়ে দিন। এর ওপরে আবার পোলাওয়ের স্তর, তারপর রান্না ইলিশের মসলার স্তর, আবারও সামান্য জাফরান রঙের পোলাও, বেরেস্তা আর কিশমিশ ছড়িয়ে দিন। বাকি মসলা, ইলিশ, বেরেস্তা আর ৪-৫টা আস্ত কাঁচা মরিচ দিয়ে দমে দিন ২০-২৫ মিনিটের জন্য। পরিবেশনের আগে আর ঢাকনা না খোলাই ভালো। পরিবেশনের সময় মাছের টুকরাগুলো সাবধানে তুলে রেখে পোলাও হালকা হাতে মিশিয়ে পরিবেশন পাত্রে তুলে নিন। ওপরে ইলিশের টুকরাগুলো সাজিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।

সামচা রুটি


উপকরণ : ময়দা ২ কাপ, তেল সিকি কাপ, লবণ ১ চা-চামচ, ভাজা জিরা গুঁড়া ১ চা-চামচ, পানি পরিমাণমতো, কাবাব মসলা ১ চা-চামচ, গরু বা মুরগির কিমা ৫০০ গ্রাম, কাঁচা মরিচ কুচি ২ টেবিল-চামচ, পেঁয়াজ (কিউব কাট) ২ কাপ, আদাবাটা ১ টেবিল-চামচ, রসুনবাটা ১ চা-চামচ।

প্রণালি : আদা, রসুন, লবণ, ১ টেবিল-চামচ তেল ও সামান্য পানি দিয়ে কিমা সেদ্ধ করে পানি শুকিয়ে নিন। চুলায় পাত্রে তেল দিয়ে পেঁয়াজ দিন। একটু নেড়ে সেদ্ধ কিমা, কাঁচা মরিচ কুচি ও কাবাব মসলা দিয়ে নেড়েচেড়ে নামিয়ে ঠান্ডা করে নিন।

সমুচার রুটি তৈরির জন্য ময়দা, ১ চা-চামচ লবণ ও পানি দিয়ে খামির বানিয়ে ১০ মিনিট ঢেকে রাখুন। খামির ৬টি ভাগে ভাগ করে পাতলা রুটি বেলে নিন। এবার একটি রুটি বিছিয়ে তার ওপর একটু তেল মাখিয়ে ময়দা দিয়ে ঢেকে দিন। ময়দা মাখানো রুটির ওপর আর একটি রুটি বিছিয়ে আগের মতো তেল ও ময়দা মাখিয়ে নিন। এভাবে একটির পর একটি রুটি দিয়ে হাতের তালু দিয়ে চেপে চেপে বড় করে নিন। ভালোভাবে সব রুটি আটকে গেলে বড় একটা ১৫ বাই ১৬ ইঞ্চি মাপের রুটি বেলে নিন। দুপাশই ভালোমতো বেলুন। এবার গরম তাওয়ায় হালকাভাবে রুটি সেঁকে একটা একটা করে রুটি আলাদা করে নিন। আবার ছয়টি রুটি পেয়ে যাবেন। এবার রুটিগুলো আট ইঞ্চি লম্বা ও তিন ইঞ্চি চওড়া করে যে কটি সম্ভব কেটে নিন। রুটির বাকি অংশ তেলে ভেজে গুঁড়া করে নিন এবং রান্না করা কিমার সঙ্গে পরিমাণমতো মিশিয়ে দিন।

আধা কাপ ময়দা পানি দিয়ে আঠালো করে রাখুন। লম্বা সমুচার রুটি কোনাকুনি ভাঁজ দিয়ে ময়দার আঠা লাগিয়ে তিন কোনা পকেট বানান। তাতে কিমার পুর ভরে ভাঁজ দিয়ে মুখ বন্ধ করে সমুচা বানিয়ে নিন। হালকা গরম তেলে বাদামি করে ভেজে উঠান।

হিমায়িত করতে চাইলে ৫টি বা ১০টি সমুচা নিয়ে পলিথিনের প্যাকে ভরে মুখ সিল করে ডিপ ফ্রিজে রাখুন। শক্ত হলে নেড়েচেড়ে দিন। তখন নেড়েচেড়ে দিতে হবে। এতে সমুচাগুলো একটির সঙ্গে আরেকটি লেগে যাবে না।

ভাল ভাবে পরিবেশন করুন

Monday, August 24, 2015

ইলিশ বিরিয়ানি


উপকরণ : তেলওয়ালা বড় ইলিশ ৪ টুকরা (ডিম থাকলে বাদ দিয়ে দিন), বাসমতী চাল ৫০০ গ্রাম, পেঁয়াজবাটা এক কাপের তিন ভাগের এক ভাগ, পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ, আদাবাটা ১ চা-চামচ, রসুনবাটা সিকি চা-চামচ, মরিচ গুঁড়া এক চা-চামচের একটু কম, টকদই ১ টেবিল চামচ, নারকেলের ঘন দুধ ২ কাপ, কাঁচা মরিচ ১৪-১৫টা (আস্ত), চিনি আধা চা-চামচ, কিশমিশ ২ টেবিল চামচ, জাফরান রং ১ চিমটি, গরমমসলার গুঁড়া ১ চিমটি। লবঙ্গ, দারুচিনি, এলাচি প্রতিটা ৩টা করে, লবণ স্বাদমতো, তেল আধা কাপ, ঘি সিকি কাপ।

প্রণালি : প্যানে ঘি গরম করে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে বেরেস্তা করে তুলে রাখুন। তাতে কিশমিশগুলোও ভেজে তুলে নিন। সেই ঘিয়ের সঙ্গে অর্ধেকটা তেল মিশিয়ে বাটা পেঁয়াজ দিয়ে একটু ভেজে নিন। এবার মরিচ গুঁড়া, রসুনবাটা দিয়ে কষিয়ে নিয়ে লবণ মাখানো ইলিশের টুকরাগুলো দিন। হালকা কষিয়ে চিনি দিয়ে ফেটানো দই দিয়ে ভালো করে মেশান। অল্প গরম পানি দিয়ে ঢেকে মিনিট ১৫ রান্না করে নামিয়ে নিন। নামানোর আগে গরমমসলার গুঁড়া ছড়িয়ে দিন।
আরেকটি পাত্রে চাল অনুপাতে ফুটন্ত পানি, নারকেল দুধ আর লবণ একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। অন্য একটি প্যানে বাকি তেলটা দিয়ে তাতে রান্না করা ইলিশের তেলটাও (শুধু তেল, ঝোল বা মসলা না) মিশিয়ে নিন। এবার তাতে গরমমসলার ফোড়ন দিয়ে চাল দিয়ে দিন। আদাবাটা দিয়ে ৪-৫ মিনিট ভেজে নারকেল দুধ, পানি আর লবণের মিশ্রণ মিশিয়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন। পানি আর চাল সমান হয়ে এলে ৪-৫টি বাদে বাকি কাঁচা মরিচগুলো দিয়ে দিন। এবার চুলার আঁচ কমিয়ে প্যানের নিচে তাওয়া দিয়ে পোলাও দমে বসিয়ে নিন।

পোলাও নামিয়ে ২ টেবিল চামচ পোলাওয়ের সঙ্গে জাফরান রং মিশিয়ে রাখুন। একটা হাঁড়িতে অল্প করে ঘিয়ের প্রলেপ দিয়ে তাতে প্রথমে পোলাওয়ের স্তর, তারপর হালকা করে সামান্য জাফরান রঙের পোলাও, তার ওপর বেরেস্তা আর কিশমিশ ছড়িয়ে দিন। এর ওপরে আবার পোলাওয়ের স্তর, তারপর রান্না ইলিশের মসলার স্তর, আবারও সামান্য জাফরান রঙের পোলাও, বেরেস্তা আর কিশমিশ ছড়িয়ে দিন। বাকি মসলা, ইলিশ, বেরেস্তা আর ৪-৫টা আস্ত কাঁচা মরিচ দিয়ে দমে দিন ২০-২৫ মিনিটের জন্য। পরিবেশনের আগে আর ঢাকনা না খোলাই ভালো। পরিবেশনের সময় মাছের টুকরাগুলো সাবধানে তুলে রেখে পোলাও হালকা হাতে মিশিয়ে পরিবেশন পাত্রে তুলে নিন। ওপরে ইলিশের টুকরাগুলো সাজিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।

Saturday, August 22, 2015

মনোহর ফিশ কাবাব


উপকরণ :

লবণ ও লেবুর রস দিয়ে মাখানো কোরাল মাছের ফিলে ৮ পিস, কাবাব মসলা ১ চা চামচ, গরম মসলা গুঁড়া ১ চা চামচ, কাঁচামরিচ বাটা ১ চা চামচ, তন্দুরি মসলা ১ চা চামচ, পেঁয়াজ বাটা ২ চা চামচ, আদা, রসুন বাটা ১ চা চামচ, বেরেস্তা ২ চা চামচ, টকদই ২ চা চামচ, কর্নফ্লাওয়ার ২ চা চামচ, তেল ২ টেবিল চামচ।

প্রস্তুত প্রণালি :

প্রথমে একটি বাটিতে মাখানো মাছের ফিলে, কাবাব মসলা, গরম মসলা গুঁড়া, কাঁচামরিচ বাটা, তন্দুরি মসলা, পেঁয়াজ বাটা, আদা, রসুন বাটা, বেরেস্তা, টকদই, কর্নফ্লাওয়ার দিয়ে ভালো করে মাখিয়ে নিন। এবার মাখানো মাছের উপর ব্রাশ দিয়ে তেল ব্রাশ করে নিন। চুলায় একটি গ্রিলের তাওয়াতে তেল দিন, তেল গরম হলে মাখানো মাছের ফিলে দিয়ে এপিঠ-ওপিঠ ভালো করে গ্রিল করে নিন। তৈরি হয়ে যাবে মনোহর ফিশ কাবাব। সুন্দর করে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

Friday, August 21, 2015

চিকেন উইথ ম্যাংগো (গরমে আরাম)

























নতুনত্তের  স্বাদ জোগাতে  আজকের এই রেসিপি চিকেন উইথ ম্যাংগো বা ম্যাঙ্গো চিকেন।

কঠিন বা কম কথায় রেসিপি লিখে আমরা চলে যেতে চাই না! আমরা চেষ্টা করি, আমাদের রেসিপিটা একবার পড়েই যেন আপনাদের মনে ইচ্ছা জাগে রান্নাটা করে ফেলার এবং সেটা সহজ হলে আশা করি আপনারা তা করবেনই! আসলে আমি কাঁচা আম কিনে কিছুটা পাকিয়ে ফেলে রান্না করেছিলাম। তবে ব্যাপার না, রান্নার পরে আমি বুঝতে পারছি, কাছা/পাকাতে কি আসে যায়! হা হা হা… বোনলেস চিকেন হলে ভাল হয়, তবে এক্ষেত্রেও আমি কিছু হাড় নিয়েছিলাম! আমের কিউব করে নিন এবং চিকেন গুলো কিউব করে কেটে পরিস্কার করে এক চিমটি হলুদ এবং দুই চিমটি লবন দিয়ে মেখে রাখুন।পরিমান ও উপকরনঃ
– মুরগীর মাংস, বোনলেস হলে ভাল (৩৫০ গ্রাম, অনুমান)
– কাঁচা আম, ৫০ গ্রাম (কাঁচা পাকা আম হলেই ভাল, হা হা হা)
– পেঁয়াজ কুঁচি, হাফ কাপ
– আদা বাটা, ১ টেবিল চামচ
– রসুন বাটা, ১ টেবিল চামচ
– হলুদ গুড়া, হাফ চা চামচ
– মরিচ গুড়া, ঝাল বুঝে, হাফ চা চামচ
– চিনি, এক চা চামচ
– নারিকেলের দুধ, এক কাপ
– পানি, এক কাপ বা কম বেশি
– লবন (শুরুতে কম দিয়েই রান্না করা ভাল)
– কয়েকটা কাঁচা মরিচ (ঝাল বুঝে)
– ধনিয়া পাতার কুঁচি
– তেল ১/৪ কাপ

(চাইলে কয়েকটা এলাচি ও কয়েক টুকরা দারুচিনি দেয়া যেতে পারে, আমি আগামীতে রান্না করলে দিয়ে দেখবো, তবে না দেয়াতেও স্বাদ কম হয়েছে তা বলা যাবে না)প্রস্তুত প্রনালীঃ ছবি কথা বলে!
গোশত প্রিপারেশনঃ
 ১, তেল গরম করে মুরগীর মাংস ভেঁজে নিন।


২, বেশি নয় আবার কমো নয়।

 ৩, এবার গোশত তুলে রাখুন।

মুল রান্নাঃ

৪, উক্ত কড়াইতেই আরো সামান্য তেল দিন এবং সামান্য লবন যোগে পেঁয়াজ কুঁচির সাথে কয়েকটা কাঁচা মরিচ
৫, পেঁয়াজ গুলো সামান্য হলদে হয়ে গেলে আদা ও রসুন বাটা দিন।

 ৬, আগুন মাধ্যম আঁচে থাকবে, ভাল করে মিশিয়ে ভাঁজুন। এই রকম ভাজাতে সাবধান থাকতে হবে, অনেক সময় চিটকা গায়ে পড়তে পারে।


৭, ভাঁজা হয়ে গেলে এবার মরিচ ও হলুদের গুড়া দিন। সামান্য পানিও দিতে পারেন।


৮, ঠিক কয়েক মিনিটেই এমনি সুন্দর রঙের ঝোল হয়ে যাবে।


৯, এবার আমের কিউব গুলো দিন (কাঁচা আম হলে সিদ্ধ হতে সময় নিবে)


১০, হাফ কাপ বা বেশি পানি দিন এবং ভাল করে মিশিয়ে নিন।


১১, এবার ঢাকনা দিয়ে কম আঁচে আম সিদ্ধ বা নরম হতে দিন। কয়েকবার ঢাকনা উলটে খুন্তি দিয়ে আমগুলো নরম হয়ে গেলে গলিয়ে দিন।


১২, ঠিক এমনি অবস্থায় এসে যাবে। এবার চিনি দিন এবং ভাল করে মিশিয়ে নিন।


১৩, এমনি সুন্দর ঝোল হয়ে যাবে।


১৪, এবার চিকেন দিয়ে দিন।


১৫, ভাল করে মিশিয়ে নিন। আগুন মাঝারি।


১৬, এবার নারিকেল দুধ দিয়ে দিন।


১৭, ভাল করে নাড়িয়ে নিন এবং আগুন বাড়িয়ে দিন।


১৮, এমন অবস্থায় আসতে মিনিট ৬/৭ লাগতে পারে।


ছবি ১৯, ঝোল কেমন রাখবেন তা আপনি নিজেই নির্ধারন করুন। রুটি দিয়ে খেতে চাইলে ঝোল একটু বেশি রাখাই ভাল। এবং এই সময়ে ফাইন্যাল লবন স্বাদ দেখুন, লাগলে দিন।

 ২০, ধনিয়া কুঁচি দিন।


২১, মিশিয়ে নিন এবং এই সময়ে আগুন বন্ধ করে দিন। ব্যস!


২২, পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত।

২৩, আর অপেক্ষা কি! যারা রুটি/পরোটা খেয়ে থাকেন, তাদের জন্য অসাধারণ আইটেম। আমার রান্না টেষ্টার বুলেট খেয়ে জানালো, ডিলিশিয়াস! আর আমার ব্যাটারী, তিনি খেয়ে চুপ হয়ে গেলেন! হা হা হা, রান্না ভাল হলে মুখে কোন কথা থাকে না!

একদিন ট্রাই করেই দেখুন, বাজারে কাঁচা আম এখনো ভরপুর আর মশলাপাতি, সবই রান্নাঘরেই পেয়ে যাবেন বলে আমি মনে করি। সবাইকে শুভেচ্ছা।

Thursday, August 20, 2015

তন্দুরি চিকেন


উপকরণঃ
মুরগীর রান/থান(leg-quarters)-৮ টুকরা
লাল মরিচের গুঁড়া- ১ চা চামচ অথবা আপনার স্বাদ অনুযায়ী
জিরার গুঁড়া- ১/২ চা চামচ
গরম মশলার গুঁড়া- ১/২ চা চামচ
আদা বাটা - ১ টেবিল চামচ
তন্দুরি মশলা- ২ চা চামচ
লেবুর রস- দেড় টেবিল চামচ (অথবা ৬ টেবিল চামচ টমেটো কেচাপ দিতে পারেন  )
টক দই- 4 টেবিল চামচ
তেল অথবা ঘি - ৪ টেবিল চামচ
লবন- ১ চা চামচ অথবা আপনার স্বাদ অনুযায়ী

পদ্ধতিঃ

মুরগীর টুকরা গুলোকে ভাল করে ধুয়ে পরিষ্কার করে পানি ঝরিয়ে নিন। ছুরি দিয়ে হালকা করে চিরে দিন।
সমস্ত উপকরণগুলো একটি বাটিতে নিয়ে ভাল করে মিশিয়ে নিন। এর মধ্যে মাংসের টুকরা গুলো দিয়ে ভাল ভাবে মশলার সাথে মাখিয়ে ২ ঘণ্টা রেখে দিন। একটি ওভেনপ্রুফ প্যান অথবা ট্রে নিয়ে তাতে তেল ব্রাশ করে মাংসের টুকরা গুলো ১ লেয়ার এ সাজিয়ে দিন। মশলার গ্রেভি দেয়া যাবে না।

৪০০ ডিগ্রী ফারেনহাইটে ওভেন প্রিহিট করুন। প্যান টি ওভেন এ দিয়ে ৩০ মিনিট বেক করুন। এরপর ট্রে টি বের করে মুরগীর টুকরাগুলি উল্টে দিন। আরও ৩০ মিনিট বেক করুন অথবা মাংসের টুকরাগুলি পোড়া পোড়া হওয়া পর্যন্ত এবং জুস শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত বেক করুন। এরপর ওভেন টি ব্রএল এ দিয়ে আরও ৫-৭ মিনিট বেক করে নামিয়ে ফেলুন। ( বিভিন্ন ওভেন এর তাপমাত্রা ভিন্ন হতে পারে, একারনে নামানোর পূর্বে চেক করে নিন।)


এবার আপনি রুটি র সাথে পরিবেশন করুন।